মেদিনীপুর:: এগরা:-সৌমেন সেন
আবহাওয়ার খামখেয়ালি_পনায় ঝড় বৃষ্টি লেগে রয়েছে প্রতিদিনই। আমফান ঝড় ও টানা বৃষ্টির কারণে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন এগরা ও পটাশপুরের বাদাম চাষীরা।
প্রতিদিনের দফায় দফায় বৃষ্টির ফলে বাদাম চাষের জমিতে দাঁড়িয়ে পড়েছে হাঁটুজল। জলমগ্ন জমিতে বাদাম গাছ ডুবে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষীরা।
কৃষকদের মতে, বাদাম চাষের জমিতে ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় জল দাঁড়িয়ে থাকলে বাদামে পচন ধরে যাবে। তাতে বিঘার পর বিঘা জমির বাদাম চাষ নষ্ট হয়ে যাবে।
বাদাম তোলার জন্য বাইরে থেকে যে মজুরেরা কাজ করতে আসতো তারা এখন আসতে পারছে না। মজুরের সংকট দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ অন্যের জমি ভাগে নিয়ে চাষ করেছে। এদিকে অনেক কৃষক বিভিন্ন স্থান থেকে ঋন নিয়ে এই চাষ করেছেন, ঋন কিভাবে শোধ করবেন তার চিন্তা অনেক কৃষকের রাতের ঘুম চলে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই মন ভালো নেই এগরা ও পটাশপুরের বাদাম চাষীদের।
সঙ্কট কাটাতে সরকারি সাহায্যের দিকেই তাকিয়ে সকলে।
আবহাওয়ার খামখেয়ালি_পনায় ঝড় বৃষ্টি লেগে রয়েছে প্রতিদিনই। আমফান ঝড় ও টানা বৃষ্টির কারণে রীতিমতো সমস্যায় পড়েছেন এগরা ও পটাশপুরের বাদাম চাষীরা।
ধান ও পানের পাশাপাশি পূ্র্ব মেদিনীপুরের এগরা ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় এই বাদাম চাষ বড় ভরসা স্থানীয় কৃষকদের কাছে।বাদাম চাষের জমিতে জল জমে যাওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে তাদের। পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা এক নম্বর ব্লকের বরদা গ্রাম থেকে পটাশপুরের বিভিন্ন গ্রামের বাদাম চাষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন।
প্রতিদিনের দফায় দফায় বৃষ্টির ফলে বাদাম চাষের জমিতে দাঁড়িয়ে পড়েছে হাঁটুজল। জলমগ্ন জমিতে বাদাম গাছ ডুবে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন চাষীরা।
কৃষকদের মতে, বাদাম চাষের জমিতে ৪৮ ঘন্টার বেশি সময় জল দাঁড়িয়ে থাকলে বাদামে পচন ধরে যাবে। তাতে বিঘার পর বিঘা জমির বাদাম চাষ নষ্ট হয়ে যাবে।
করোনা ও লকডাউনের কারণে এমনিতেই প্রবল সমস্যায় আছেন তাঁরা। তার ওপর এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ।আবার দ্রুত বাদাম হাঁটু জল থেকে সরাতে না পারলে বাদাম জলের তলায় পড়ে পচে নষ্ট হয়ে যাবে,
বাদাম তোলার জন্য বাইরে থেকে যে মজুরেরা কাজ করতে আসতো তারা এখন আসতে পারছে না। মজুরের সংকট দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ অন্যের জমি ভাগে নিয়ে চাষ করেছে। এদিকে অনেক কৃষক বিভিন্ন স্থান থেকে ঋন নিয়ে এই চাষ করেছেন, ঋন কিভাবে শোধ করবেন তার চিন্তা অনেক কৃষকের রাতের ঘুম চলে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই মন ভালো নেই এগরা ও পটাশপুরের বাদাম চাষীদের।
সঙ্কট কাটাতে সরকারি সাহায্যের দিকেই তাকিয়ে সকলে।



0 মন্তব্যসমূহ
https://internationalnewstar.blogspot.com/
Whatsapp-74782 01605
https://www.facebook.com/Internationalnewstar.official